প্লাস্টিকের কাপে চায়ের অপকারিতা

প্লাস্টিকের কাপে চা খেলে হতে পারে “বিসফেনল এ” । এই ”বিসফেনল এ” থাইরয়েড হরমোনকে বাধা দেয়, সেই সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয় মস্তিষ্কের গঠন

প্লাস্টিকের কাপে চায়ের অপকারিতা
প্লাস্টিকের কাপে চায়ের অপকারিতা

আমরা যদি সচেতন হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করি তাহলে আমাদের জীবন ঝুকির সন্মূক্ষিন হবে না। বর্তমানে আমরা যে রোগেরই সন্ধান পায় সেটার প্রতিকার, প্রতিরোধ শুরু করে দিই। কিন্তু আমরা হয়ত কখনো একটাবারও চিন্তা করি না যে, আমরা যে মাধ্যমটির সাহায্যে রোগ প্রতিরোধ করছি, সেই একই মাধ্যমটির কারনে অন্য একটি রোগের সৃষ্টি হতে পারে। যেমন বর্তমানে আমরা সবাই করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধ করবার জন্য বারবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান পানি দিয়ে হাত ধৌত করছি। কিন্তু এই যে, বারবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধৌত করার ফলে এক নতুন রোগের সন্মুক্ষিন হচ্ছি। অনেকে চর্ম রোগের ভুক্তভুগি হয়ে গেছে।
নিরাপত্তার জন্য সর্তকতা হিসেবে কাঁচের চায়ের কাপের পরিবর্তে প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম গ্লাস ব্যবহার করছি । কমবেশি আমরা সবাই জানি যে প্লাস্টিক কতটা ক্ষতিকর। কিন্তু আমরা কি একটাবারের জন্য ভেবে দেখেছি যে, পাতলা প্লাস্টিকের গ্লাসে যখন গরম চা পরিবেশন করা হচ্ছে এর ফলে প্লাস্টিকের দ্বারা কোনো রোগ বা ক্ষতি হতে পারে আমাদের দেহে? 
প্লাস্টিকে গরম চা ঢাললে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তৈরি হয় “বিসফেনল এ” । “বিসফেনল এ” থাইরয়েড হরমোনকে বাধা দেয়, বাধাপ্রাপ্ত হয় মস্তিষ্কের গঠন, গর্ভবতী মহিলাদের রক্ত থেকে সরাসরিভাবে ”বিসফেনল এ” যায় ভ্রুণে নষ্ট হতে পারে ভ্রুন, দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্ব, শিশু বিকলাঙ্গ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে প্লাস্টিকের কাপ এরিয়ে চলুন, প্রয়োজনে কাঁচের গ্লাস গরম পানি দিয়ে ধুয়ে রি-ইউজ করেন। সব সময় চেষ্টা করুন সচেতন হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করবার। তাহলে নিজে ভালো থাকবেন, পরিবেশটাও ভালো রাখতে পারবেন।