নারীদের পর্দা বিষয়ে

নারীদের পর্দা বিষয়ে

নারীদের পর্দা বিষয়ে
নারীদের পর্দা

||||কমেন্ট||||: ভাই,দ্রিষ্টি সংযত রাখার কথাও বলা হয়েছে এবং একবার কোন কিছুর দিকে ভুলে তাকালে (তাকানো উচিত নয় এমন কিছু) সে দিকে আর না তাকানোর জন্যেউ বলা হয়েছে আমাদের ইসলামে। শুধু পরদাই পশুত্ত কে রুখতে এনাফ না।

||||রিপ্লাই|||| : আপনি বলেছেন দৃষ্টি সংযোত রাখতে… আমিও একমত…আপনার কথাটির সাথে বাংলাদেশের 95% নারী হয়ত একমত । কথাটি ঠিক উলোবনে মুক্তা ছড়ানোর মতই ।
আপনারা আপনাদের আইন ভঙ্গ করেছেন….ছেলেরা তাহলে কি করতে পারে ।
আপনি বলছেন….দৃষ্টি সংযোত রাখতে…. আমি যদি বলি আপনারা নারীরা নিজেদের একটু খেয়াল করুন । আপনাদের ইসলামী শরীয়াতে পর্দা করতে বলা হয়েছে.. এখন যদি এটা না মানেন তাহলে?? ইসলাম হল পূর্ণ জীবন বিধান.. সুতরাং এর বাহিরে আসলে তো বিপদে তো পরবেনই ।

একটা উদাহারণ দেই- যখন কোন মহামূল্যবান জিনিস নিয়ে রাস্তায় আপনি বাহির হন তখন কি করেন? নিশ্চই সেটা খুব গোপনে অথবা করা নিরাপত্রায় এক জায়গায থেকে অন্য জায়গায় নিযে যান ।
ঠিক নারীরা এটাই করুক.. যদি তাহার রুপ দেখাইবার মনচায়.. করা নিরাপওায় দেখাক.. কেউ কিছু বলবে না । কিন্তু অনুরোধ বিনা নিরাপওায় যেন তাহারা ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী পর্দা করে । কেননা পর্দা না করে রুপ দেখাইলে–বর্তমান অবস্থায় 15% ছেলে একবার তাকিযে আরএকবার তাকাবেনা, 50% ছেলে বলবে মেযেটা জটিল.. আর 30% ছেলে বলবে শালা মালটা কে যদি পাইতাম … আরও 5% আপনার পিছুও নিয়ে আপনাকে একটি বিপদে ফেলানোর মত পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে ।
শেষের 5% কথা চিন্তা করে পর্দা করুন । % এর পরিমান টা বেড়ে গেলে পর্দা ছাড়া বাহির হওয়াই কিন্তু মশকিল আছে ।

আজকের নারীরা তাদের নিকট যে মহামূল্যবান সম্পদ আছে তার কোন মূল্যই দেয় না । অতপর তারা সেই অপ্রত্যাশিত শাস্তিটাই তারা পেয়ে থাকে… । খুব সাধারণ বিষয়… লক্ষ কোটি টাকা নিয়ে রাস্তায় বিনা নিরাপত্রায় যাওয়াটা যেমন বোকামী.. ঠিক পর্দা ব্যতিত কোন নারী বাহির হওয়াটাও তেমনই বোকামী ।
কিন্তু হায় .. নারীর ইজ্জত যে লক্ষ কোটি কোটি টাকার চেয়েও বেশি মূল্যবান, এর নিরাপত্রা তাহলে কেমন হওয়া উচিত ?